গুণগত রসায়ন জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তর
HSC Chemistry 1st Paper Chapter 2: Qualitative Chemistry Top Board Exam Knowledge-based Questions | qChem+
এইচএসসি (HSC) পরীক্ষার্থী ও রসায়নপ্রেমী শিক্ষার্থীদের জন্য qChem+-এ স্বাগতম! রসায়ন ১ম পত্রের ২য় অধ্যায়: গুণগত রসায়ন (Qualitative Chemistry) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। বোর্ড পরীক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে প্রচুর জ্ঞানমূলক (১ নম্বরের) প্রশ্ন আসে।
পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য বিগত বছরের বোর্ড প্রশ্ন অনুশীলন করার কোনো বিকল্প নেই। তাই তোমাদের সুবিধার জন্য আমরা এই অধ্যায়ের বিগত বছরগুলোতে (২০১৫ – ২০২৬) বিভিন্ন বোর্ডে আসা সকল গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও তাদের সঠিক উত্তর সুন্দরভাবে সাজিয়ে উপস্থাপন করছি।
বোর্ড পরীক্ষায় আসা এই প্রশ্নগুলোর উত্তরছাড়া শুধুমাত্র প্রশ্নগুলো একসাথে পেতে নিচের পোস্টটি দেখোঃ
📌 ১. পরমাণু মডেল ও মূল কণিকা (Atomic Models & Fundamental Particles)
- আইসোটোন কী?[সি. বো. ১৭]
- উত্তর: যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) ও ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে একে অপরের আইসোটোন বলে।
- আইসোটোপ কী?[ম. বো. ২৫; রা. বো. ১৯; সি. বো. ১৭; রা. বো. ১৫]
- উত্তর: যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে।
- α কণা (আলফা কণা) কী?[ব. বো. ২৫; কু. বো. ২৩; রা. বো. ২২; কু. বো. ২১; রা. বো. ১৯; চ. বো., সি. বো. ১৭; রা. বো. ১৬; সি. বো. ১৬]
- উত্তর: আলফা (α) কণা হলো দ্বি-ধনাত্মক চার্জযুক্ত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (He²⁺)।
📌 ২. কোয়ান্টাম সংখ্যা ও অরবিটাল (Quantum Numbers & Orbitals)
- কোয়ান্টাম সংখ্যা কী?[মা. বো. ২৬; মা. (অ) বো. ২৬; রা. বো. ২৫; ঢা. বো. ২২; দি. বো., চ. বো. ২১; য. বো., ব. বো. ১৬]
- উত্তর: পরমাণুতে ইলেকট্রনের শক্তিস্তরের আকার, আকৃতি, ত্রিমাত্রিক দিক-বিন্যাস এবং ইলেকট্রনের নিজ অক্ষের চারদিকে ঘূর্ণনের দিক প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত চারটি সংখ্যাকে কোয়ান্টাম সংখ্যা বলে।
- চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা কী?[কু. বো. ২১]
- উত্তর: বাইরের চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে ইলেকট্রনের অরবিটালের ত্রিমাত্রিক দিক-বিন্যাস প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত কোয়ান্টাম সংখ্যাকে চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা (m) বলে।
- ইলেকট্রনের উপশক্তিশ্রেণী (উপশক্তিস্তর) কী?[য. বো. ১৭]
- উত্তর: প্রধান শক্তিস্তরের অন্তর্গত যেসব নির্দিষ্ট শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যস্ত থাকে, তাদের উপশক্তিশ্রেণী বা উপশক্তিস্তর (s, p, d, f) বলে।
- অরবিট কী?[ম. বো. ২৫; রা. বো. ২২; দি. বো. ২১; চ. বো. ১৭; য. বো. ১৫]
- উত্তর: পরমাণুর নিউক্লিয়াসের চারদিকে ইলেকট্রন আবর্তনের নির্দিষ্ট বৃত্তাকার স্থির কক্ষপথকে অরবিট বলে।
- নোড / নোডাল তল কী?[চ. বো. ২৬; সি. বো. ২১; দি. বো. ১৯]
- উত্তর: অরবিটালের যে অঞ্চলে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য (০%), তাকে নোড বা নোডাল তল বলে।
- অরবিটাল কী?[চ. বো., ব. বো. ২৫; চ. বো., ম. বো., কু. বো. ২৩; ম. বো., য. বো. ২২; ঢা. বো., রা. বো. ২১; ব. বো. ১৯; ঢা. বো., রা. বো., কু. বো. ১৭; সি. বো. ১৬]
- উত্তর: নিউক্লিয়াসের চারদিকে যে ত্রিমাত্রিক অঞ্চলে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৯০%-৯৫%), তাকে অরবিটাল বলে।
📌 ৩. ইলেকট্রন বিন্যাসের নীতিসমূহ (Rules of Electron Configuration)
- Fe³⁺ এর ইলেকট্রন বিন্যাস লেখ।[সি. বো. ২১]
- উত্তর: Fe³⁺ (পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, ইলেকট্রন সংখ্যা ২৩): 1s² 2s² 2p⁶ 3s² 3p⁶ 3d⁵
- আউফবাউ নীতি কী?[মা. বো. ২৬; কু. বো. ২২; য. বো. ২১; রা. বো. ১৭]
- উত্তর: পরমাণুর ইলেকট্রনসমূহ প্রথমে সর্বনিম্ন শক্তির অরবিটালে প্রবেশ করে এবং ক্রমান্বয়ে উচ্চ শক্তির অরবিটালে প্রবেশ করে — এটিই আউফবাউ নীতি।
- হুন্ডের নীতি কী?[সকল বো. ২৬; মা. (অ) বো. ২৬; ঢা. বো., রা. বো. ২৫; ঢা. বো., দি. বো., চ. বো., ব. বো. ২৩; ম. বো., য. বো., ব. বো. ২২; সি. বো. ২১; রা. বো., য. বো. ১৯; দি. বো. ১৭]
- উত্তর: সমশক্তিসম্পন্ন অরবিটালে ইলেকট্রনসমূহ এমনভাবে প্রবেশ করে যেন তারা সর্বোচ্চ অযুগ্ম (একক) অবস্থায় থাকতে পারে এবং এই অযুগ্ম ইলেকট্রনগুলোর স্পিন একইমুখী হয় — এটিই হুন্ডের নীতি।
- পাউলির বর্জন নীতিটি লেখ।[ম. বো. ২৩; সি. বো. ২২; রা. বো. ২১; চ. বো. ১৯; রা. বো., য. বো., সি. বো. ১৭; রা. বো., কু. বো., চ. বো. ১৫]
- উত্তর: কোনো একটি পরমাণুর যেকোনো দুটি ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার মান কখনোই একই হতে পারে না।
📌 ৪. তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালী ও বিকিরণ (Electromagnetic Spectrum & Rays)
- বর্ণালী কী?[কু. বো., সি. বো. ২৫; চ. বো., য. বো. ২২; রা. বো., কু. বো., চ. বো., ব. বো. ১৮]
- উত্তর: বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বা বিকিরণ কোনো প্রিজম বা গ্রাটিংয়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করার পর তরঙ্গদৈর্ঘ্য অনুযায়ী পৃথক হয়ে যে পট তৈরি করে, তাকে বর্ণালী বলে।
- তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ কী?[সি. বো. ২২]
- উত্তর: পরস্পর সমকোণে অবস্থিত তড়িৎক্ষেত্র ও চৌম্বকক্ষেত্রের পর্যায়বৃত্ত কম্পনের ফলে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়া তরঙ্গকৃতির শক্তি সঞ্চালনকে তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ বলে।
- তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালী কী?[য. বো. ২৫]
- উত্তর: তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গসমূহকে তাদের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বা কম্পাঙ্কের ক্রমানুসারে সাজালে যে সুনির্দিষ্ট ধারাবাহিক বিন্যাস পাওয়া যায়, তাকে তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালী বলে।
- রেখা বর্ণালী কী?[ঢা. বো. ২৫; রা. বো. ২৩]
- উত্তর: উদ্দীপ্ত পরমাণু বা আয়ন দ্বারা বিকীর্ণ আলো বিশ্লেষণ করলে বর্ণালীতে কিছু বিচ্ছিন্ন বা পৃথক স্পষ্ট রেখা দেখা যায়; একে রেখা বর্ণালী বা পারমাণবিক বর্ণালী বলে।
- স্টার্ক প্রভাব কী?[য. বো. ২৫]
- উত্তর: বহিস্থ তড়িৎক্ষেত্রের প্রভাবে পরমাণুর বর্ণালী রেখাগুলোর সূক্ষ্ম রেখায় বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে স্টার্ক প্রভাব বলে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমা লেখ।[রা. বো. ১৭]
- উত্তর: দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সীমা হলো 380 nm থেকে 780 nm (বা 3800 Å – 7800 Å)।
- জিম্যান প্রভাব কী?[দি. বো. ২৫; ঢা. বো., ম. বো. ২১]
- উত্তর: বহিস্থ চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবে বর্ণালী রেখাগুলোর একাধিক সূক্ষ্ম রেখায় বিভক্ত হয়ে যাওয়ার ঘটনাকে জিম্যান প্রভাব বলে।
- অনুপ্রভা কী?[দি. বো. ২৫; য. বো. ১৭]
- উত্তর: আলো শোষণের পর আলোর উৎস সরিয়ে নেয়ার পরও কোনো বস্তু থেকে দীর্ঘ সময় ধরে আলো বিকিরণ অব্যাহত থাকার প্রক্রিয়াকে অনুপ্রভা (Phosphorescence) বলে।
📌 ৫. দ্রাব্যতা, দ্রাব্যতা গুণফল ও আয়নিক গুণফল (Solubility & Solubility Product)
- সম্পৃক্ত দ্রবণ কাকে বলে?[রা. বো. ২৩]
- উত্তর: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বোচ্চ পরিমাণ দ্রাব দ্রবীভূত থাকলে যে দ্রবণ তৈরি হয়, তাকে সম্পৃক্ত দ্রবণ বলে।
- সম-আয়ন প্রভাব কী?[ঢা. বো. ১৬]
- উত্তর: কোনো মৃদু তড়িৎ-বিশ্লেষ্যের দ্রবণে একই আয়নবিশিষ্ট কোনো তীব্র তড়িৎ-বিশ্লেষ্য যোগ করলে মৃদু তড়িৎ-বিশ্লেষ্যের বিয়োজন মাত্রা হ্রাস পাওয়ার ঘটনাকে সম-আয়ন প্রভাব বলে।
- আয়নিক গুণফল কী?[ঢা. বো., ব. বো. ২৫; দি. বো., ব. বো. ২২; য. বো. ১৭]
- উত্তর: যেকোনো দ্রবণে (সম্পৃক্ত, অসম্পৃক্ত বা অতিপৃক্ত) উপস্থিত উপাদান আয়নসমূহের মোলার ঘনমাত্রার উপযুক্ত ঘাতসহ গুণফলকে আয়নিক গুণফল (K_ip) বলে।
- দ্রাব্যতার গুণফল কী?[রা. বো. ২৫; দি. বো. ২২; ঢা. বো. ২১; দি. বো. ১৭]
- উত্তর: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো স্বল্প দ্রবণীয় লবণের সম্পৃক্ত দ্রবণে তার উপাদান আয়নসমূহের উপযুক্ত ঘাতসহ মোলার ঘনমাত্রার সর্বোচ্চ গুণফলকে দ্রাব্যতার গুণফল (K_sp) বলে।
- দ্রাব্যতা কী?[মা. (অ) বো. ২৬; সি. বো., ব. বো. ২২; রা. বো. ২১; ঢা. বো., কু. বো., সি. বো. ১৭; রা. বো., ব. বো. ১৫]
- উত্তর: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবককে সম্পৃক্ত দ্রবণে পরিণত করতে যত গ্রাম দ্রাব প্রয়োজন হয়, তাকে ওই তাপমাত্রায় ঐ দ্রাবের দ্রাব্যতা বলে।
📌 ৬. গুণগত রাসায়নিক বিশ্লেষণ ও পৃথকীকরণ কৌশল (Qualitative Analysis & Separation Techniques)
- নেসলার বিকারক কী?[রা. বো. ২৫; দি. বো., চ. বো. ২২; য. বো. ২১; রা. বো. ১৭]
- উত্তর: ক্ষারীয় পটাশিয়াম টেট্রাআয়োডোমারকিউরেট (K₂[HgI₄] + KOH/NaOH) দ্রবণকে নেসলার বিকারক বলে। (এটি NH₄⁺ আয়ন শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়)।
- কেলাসায়ন কী?[ম. বো., চ. বো. ২১; দি. বো. ১৯]
- উত্তর: কোনো কঠিন পদার্থের উত্তপ্ত সম্পৃক্ত দ্রবণকে ধীরে ধীরে শীতল করে তা থেকে কঠিন পদার্থটিকে নির্দিষ্ট জ্যামিতিক আকারের কেলাস হিসেবে পৃথক করার পদ্ধতিকে কেলাসায়ন বলে।
- আংশিক পাতন কী?[য. বো. ১৯; কু. বো., চ. বো., ব. বো. ১৮; সি. বো. ১৫; কু. বো. ১৭]
- উত্তর: কাছাকাছি স্ফুটনাঙ্কের (৪০°C এর কম পার্থক্যযুক্ত) একাধিক মিশ্রণীয় তরল পদার্থকে আংশিক পাতন কলাম ব্যবহার করে স্ফুটনাঙ্কের পার্থক্যের ভিত্তিতে পৃথক করার পদ্ধতিকে আংশিক পাতন বলে।
- বাষ্প পাতন কী?[চ. বো. ২৬; ঢা. বো. ১৯]
- উত্তর: পানিতে অদ্রবণীয় কিন্তু জলীয় বাষ্পে উদ্বায়ী এবং নিজে ফুটার আগেই বিয়োজিত হয় এমন যৌগকে জলীয় বাষ্প চালনা করে পাতন করার প্রক্রিয়াকে বাষ্প পাতন (Steam Distillation) বলে।
- দ্রাবক নিষ্কাশন কী?[কু. বো. ১৯; সি. বো. ১৫]
- উত্তর: কোনো যৌগের জলীয় দ্রবণ বা মিশ্রণ থেকে উপযুক্ত বিষমমুখী জৈব দ্রাবক ব্যবহার করে বণ্টন গুণাঙ্কের ভিত্তিতে কাঙ্ক্ষিত যৌগকে পৃথক করার পদ্ধতিকে দ্রাবক নিষ্কাশন বলে।
- নিম্নচাপ পাতন কী?[দি. বো. ১৭]
- উত্তর: স্বাভাবিক স্ফুটনাঙ্কে বিয়োজিত হয় এমন উচ্চ স্ফুটনাঙ্কবিশিষ্ট তরলকে বায়ুচাপ কমিয়ে কম তাপমাত্রায় পাতিত করার পদ্ধতিকে নিম্নচাপ পাতন বলে।
- ক্রোমাটোগ্রাফি কী?[চ. বো. ১৯; কু. বো., চ. বো., ব. বো. ১৮; চ. বো. ১৬; রা. বো., ব. বো. ১৫]
- উত্তর: দুটি অমিশ্রণীয় দশা (স্থির দশা ও চলমান দশা)-র মধ্য দিয়ে উপাদানসমূহের বণ্টন বা শোষণের পার্থক্যের ওপর ভিত্তি করে কোনো সুনির্দিষ্ট মিশ্রণের উপাদানগুলোকে পৃথক করার আধুনিক ভৌত পদ্ধতিকে ক্রোমাটোগ্রাফি বলে।
- Rf (Retention Factor) কী?[সকল বো. ২৬; সি. বো. ১৯; সি. বো. ১৭; দি. বো. ১৫]
- উত্তর: ক্রোমাটোগ্রাফিতে দ্রাবক কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্বের সাপেক্ষে নমুনা উপাদান কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্বের অনুপাতকে Rf (Retention Factor) বলে।
💡 পরীক্ষার জন্য qChem+ টিপস:
- সকল চিহ্নিত বোর্ডের প্রশ্নসমূহ ভালোভাবে বারবার রিভিশন দাও।
- বিভিন্ন রসায়ন সূত্র, রাসায়নিক প্রতীক, চার্জ (যেমন: Fe³⁺, NH₄⁺, He²⁺) এবং গাণিতিক সংজ্ঞাগুলো চিহ্নের সঠিক রূপসহ মুখস্থ রাখো।
- নিয়মিত অনুশীলনের জন্য qChem+ ওয়েবসাইটটি বুকমার্ক করে রাখো এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করো!
Are you looking for the exact English version of this post?